রাজশাহীর দুর্গাপুরে মানবিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা ফারজানার প্রচেষ্টায় বদলে গেছে অফিস পাড়া তথা উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর। ইউএনও ফারজানা তার মেধা ও কর্ম দক্ষতা দিয়ে কাজ করে ইতিমধ্যে তিনি মানবিক ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাপক সুনাম অর্জন এবং পরিচিতি পেয়েছেন সাধারণ মানুষের কাছে। সেবা প্রার্থীদের সঙ্গে ইউএনও'র সৌহার্দপূর্ণ আচরণ সর্ব মহলে প্রসংশিত হয়েছে। তার আন্তরিকতায় ইউএনও অফিসের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে গতিশীল হয়েছে কাজ, দুর হয়েছে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি ও ভোগান্তি। তিনি যোগদানের পর থেকে সাধারণ মানুষ কোনো হয়রানি ছাড়াই এই অফিস থেকে কাঙ্খিত সেবা পেতে শুরু করেছেন। অফিস চত্ত্বরে ফুল বাগান ছিমছাম অনেকটা নিরিবিলি পরিবেশ। দালালচক্রের দৌরাত্ব নেই। সেবা প্রার্থীরা আসছেন সরাসরি ইউএনও সাহেবের সঙ্গে কথা বলে কাজ সারছেন যথারীতি বিদায় নিচ্ছেন। কোনো হয়রানি বা ভোগান্তি নেই। বেড়েছে সেবার মান।
জানা গেছে, বিগত দিনে উপজেলা পরিষদ ভবনের পরিবেশ ছিল অনেকটা অগোছালো। কিন্তু সেই চেনা দৃশ্য আর নাই। ইউএনও ফারজানা প্রচেষ্টায় পরিষদের প্রতিটি কার্যালয়ে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া পাল্টে গেছে পরিষদ চত্ত্বরের পরিবেশ,এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।
ইউএনও'র প্রচেষ্টায় বদলে গেছে উপজেলা পরিষদ চত্বরের দৃশ্য।পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন দপ্তরকে করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন, লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশ করলেই দৃষ্টিগোচর হয় এসব দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ যা সকলের কাছে সমাদৃত হয়েছে। এছাড়াও অবৈধ পুকুর খনন,অবৈধ সার বাণিজ্য প্রতিরোধ ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে।স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় নিয়মিত মনিটরিং করায় শিক্ষাক্ষেত্রের চিত্র পাল্টে গেছে।
বিশেষ করে মাদরাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা ও শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করায় এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান বেড়েছে। একইসঙ্গে পাল্টে গেছে উপজেলার বিভিন্ন ভুমি অফিসের চিত্র। সৌন্দর্য বর্ধনে অফিস পাড়ার চারিদিকে করা হয়েছে টাইলস, বসার স্থান, গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন রকমের ফলজ বনজ ও ফুলের বাগানসহ পাখির অভয়ারণ্যে। অথচ তিনি এখানে যোগদানের আগেও উপজেলা পরিষদ ছিল অগোছালো। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের সুদক্ষ ও তরুণ এই কর্মকর্তা ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা যোগদানের পর থেকে তার সর্বোচ্চ মেধাশক্তি ও শ্রম দিয়ে উপজেলার জনসাধারণের জীবন মানোন্নয়নে নিরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও তার সময়ে উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারী অফিস সময় ও নিয়ম-নীতি মেনে অফিস করার তাগিদ দিয়েছেন। এতে কমেছে অফিস ফাঁকি বেড়েছে সেবার মান। ফলে সকল দপ্তরে বন্ধ হয়েছে হয়রানি। সেবা প্রার্থীরা সহজেই সকল দপ্তর থেকে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বলেন, ইউএনও মহোদয় অত্যন্ত ভাল মনের মানুষ তিনি সব সময় সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্ধু সুলভ আচরণ করে সঠিক কাজ বুঝে নেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা ফারজানা জানান, তিনি প্রজান্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে জনগণের সেবা করতে চান। তিনি বলেন, ডিসি মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় প্রতিনিয়ত উপজেলাবাসীর জীবন মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি যতোদিন এখানে আছেন ততোদিন তার সর্বোচ্চ দিয়ে জনগণের পাশে থেকে সেবা করে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। আর এই জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেছেন।
জানা গেছে, বিগত দিনে উপজেলা পরিষদ ভবনের পরিবেশ ছিল অনেকটা অগোছালো। কিন্তু সেই চেনা দৃশ্য আর নাই। ইউএনও ফারজানা প্রচেষ্টায় পরিষদের প্রতিটি কার্যালয়ে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া পাল্টে গেছে পরিষদ চত্ত্বরের পরিবেশ,এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।
ইউএনও'র প্রচেষ্টায় বদলে গেছে উপজেলা পরিষদ চত্বরের দৃশ্য।পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন দপ্তরকে করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন, লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রবেশ করলেই দৃষ্টিগোচর হয় এসব দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ যা সকলের কাছে সমাদৃত হয়েছে। এছাড়াও অবৈধ পুকুর খনন,অবৈধ সার বাণিজ্য প্রতিরোধ ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে।স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় নিয়মিত মনিটরিং করায় শিক্ষাক্ষেত্রের চিত্র পাল্টে গেছে।
বিশেষ করে মাদরাসা ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা ও শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করায় এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান বেড়েছে। একইসঙ্গে পাল্টে গেছে উপজেলার বিভিন্ন ভুমি অফিসের চিত্র। সৌন্দর্য বর্ধনে অফিস পাড়ার চারিদিকে করা হয়েছে টাইলস, বসার স্থান, গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন রকমের ফলজ বনজ ও ফুলের বাগানসহ পাখির অভয়ারণ্যে। অথচ তিনি এখানে যোগদানের আগেও উপজেলা পরিষদ ছিল অগোছালো। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের সুদক্ষ ও তরুণ এই কর্মকর্তা ইউএনও উম্মে হাবিবা ফারজানা যোগদানের পর থেকে তার সর্বোচ্চ মেধাশক্তি ও শ্রম দিয়ে উপজেলার জনসাধারণের জীবন মানোন্নয়নে নিরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও তার সময়ে উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারী অফিস সময় ও নিয়ম-নীতি মেনে অফিস করার তাগিদ দিয়েছেন। এতে কমেছে অফিস ফাঁকি বেড়েছে সেবার মান। ফলে সকল দপ্তরে বন্ধ হয়েছে হয়রানি। সেবা প্রার্থীরা সহজেই সকল দপ্তর থেকে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বলেন, ইউএনও মহোদয় অত্যন্ত ভাল মনের মানুষ তিনি সব সময় সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্ধু সুলভ আচরণ করে সঠিক কাজ বুঝে নেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা ফারজানা জানান, তিনি প্রজান্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে জনগণের সেবা করতে চান। তিনি বলেন, ডিসি মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় প্রতিনিয়ত উপজেলাবাসীর জীবন মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি যতোদিন এখানে আছেন ততোদিন তার সর্বোচ্চ দিয়ে জনগণের পাশে থেকে সেবা করে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। আর এই জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেছেন।
আলিফ হোসেন